1. mohammadrakib230@gmail.com : admin :
শিরোনামঃ
বীর নিবাসের তালিকায় নেই মুক্তিযুদ্ধের তালিকায় ১ নম্বরে থাকা নিঃসন্তান মরহুম সিদ্দিক হোসেনের অস্বচ্ছল স্ত্রী গাংকুলপাড়া জনকল্যাণ সোসাইটির কর্মপদ্ধতি শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে কটিয়াদীতে সংবাদ সম্মেলন হাওর ভ্রমনে ইম্পারশিয়াল ফাউন্ডেশন কটিয়াদীতে নিখোঁজ স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্ধার কটিয়াদীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন মহারাজ ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্তী’র ৫১তম প্রয়াণ দিবসে স্মরণ সভা কটিয়াদীতে জাতীয় শোক দিবসের প্রস্ততিমূলক সভা অনুষ্ঠিত কটিয়াদীতে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উদযাপন কটিয়াদীতে রক্তদান সমিতির উদ্যোগে অসহায় শ্রমজীবীদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

অষ্টগ্রামে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

  • Update Time : শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১
  • ৮১ Time View

নিউজ ডেস্ক :

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফারুক আহম্মেদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন তার পরিষদের তিন ইউপি সদস্য। গত পবিত্র ঈদুল ফিতর ও মানবিক সহায়তা উপলক্ষে নগদ অর্থ প্রদানের পাঁচ শতাধিক নামের ভুয়া তালিকা প্রস্তুত করে এ অর্থ আত্মসাত করেছেন বলে জানান ওই সদস্যরা। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এর কাছে অভিযোগ দায়ের করার পর তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন ইউএনও মো. রফিকুল আলম। অভিযোগকারী ইউপি সদস্যরা হলেন- অষ্টগ্রাম সদর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ, ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. রেশেম মিয়া ও ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. বাবুল মিয়া। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকার এ বছর প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদে গরিব ও অসহায় পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে ৫০০ টাকা করে নগদ অর্থ প্রদানের নির্দেশ দেন। কিন্তু অষ্টগ্রাম সদর ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ ফারুক আহম্মেদ নিজস্ব ব্যক্তিদের নামসহ ভুয়া তালিকা করে তাদেরকে নগদ অর্থ না দিয়ে পাঁচ শতাধিক নামের টাকা আত্মসাত করেন। অভিযোগকারীরা জানান, ঈদুল ফিতরের আগে প্রথম ধাপে এক হাজার জন মানুষকে ৪৫০ টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। কিন্তু দ্বিতীয় ধাপে ৫শ’ জন মানুষকে ৫শ’ টাকা করে বিতরণের বিষয়টি চেয়ারম্যান গোপন করে।

ইউপি সদস্য মো. গিয়াস উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, এ ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে চেয়ারম্যান সাহেব আমার কাছে বিষয়টি গোপনে শেষ করার জন্য অনুরোধ করেন। এ ঘটনার সঙ্গে ইউপি সচিবও জড়িত রয়েছেন বলে তিনি জানান। অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ ফারুক আহম্মেদ জানান, অর্থ সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। ফলে মাস্টাররোল এখনও জমা দেয়া হয়নি। তাই আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রফিকুল আলম জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটিকে তদন্ত শেষে দ্রুত রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss